Eu sou a personagem secundária feminina na novela de fuga da morte

Eu sou a personagem secundária feminina na novela de fuga da morte

লেখক: laranja brocada
31হাজার শব্দ Palavras
0বার দেখা হয়েছে visualizações
135পরিচ্ছেদ Capítulo

[Weibo: Dear-Jinchen.] [Seis dias de trabalho e um de folga; folga na quinta-feira, ou talvez na terça.] No reino de Buxu Zhou havia uma famosa Bai Yueguang, famosa por toda a Grande Solidão. Diz

ফু ইয়িং ভাবল, নিশ্চয়ই তার এখন মরতে হবে।

রক্তাভ আগুনের আভা চোখে প্রতিফলিত হচ্ছে, পাশে স্তূপ করে রাখা কঙ্কাল; রক্ত ও মাংস মিশে কাদায় পরিণত, একসময় যাকে লোকেরা স্বর্গীয় পুকুর বলে জানত সেই তিয়ানমিং ছুয়ান আজ পরিণত হয়েছে এক নিষ্ঠুর নরকে।

কানে ভেসে আসছে অসংখ্য আর্তনাদ, চারদিক থেকে উঠে আসা অন্তহীন যন্ত্রণার চিৎকারে বাতাস ভারী।

ফু ইয়িং ছিল পতিত লাখো প্রাণের একজন।

তার কোমল দেহ রক্তের জলাশয়ে লুটিয়ে আছে, কোমরের ওপর ভেঙে পড়া গাছের গুঁড়ি তাকে একটুও নড়তে দিচ্ছে না।

নিম্নাঙ্গ ঝাপসা, অনুভূতিহীন; বিপরীতে বুকের গভীরে পুড়ে যাওয়া যন্ত্রণার ঝলকানি।

সামনের মাটিতে পড়ে আছে একখানা জেড পেনডেন্ট।

তেমন দামী নয়, কারুকাজও বিশেষ নয়, বরং বেশ অমসৃণ।

অনিয়মিত গোলাকৃতি, তার গায়ে খোদাই করা ড্রাগনের ডানা, পেছনে উৎকীর্ণ 'শুয়ো' শব্দটি।

শুয়ো।

এটি ছিল শেন ইয়িং ঝৌর উপহার, তার জন্মদিনে।

বলেছিল, এ তার তরবারির সাথে ঝোলানো পেনডেন্ট, নিজের হাতে তৈরি, অনেক ভেবে চিন্তে তাকে রক্ষার জন্য দিয়েছে।

প্রিয়জনের স্মৃতি মনে হতেই হঠাৎ নতুন শক্তি ফিরে পেল সে।

ফু ইয়িং হাতে বাড়িয়ে সেটা তুলতে চাইল, অথচ এই ক্ষুদ্র চেষ্টাতেই বুকের ক্ষতটা টনটন করে উঠল, যন্ত্রণায় শ্বাস আটকে এল, মুখে উঠে এলো রক্তের স্বাদ, ঠোঁটের কোণ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল তাজা রক্ত।

সে চোখ বন্ধ করে হাঁফাতে লাগল, যেন মরতে বসা কোনো পশু।

কিছুক্ষণ পরও সে হাল ছাড়ল না, হাত বাড়িয়ে জেদ ধরে পেনডেন্টটা তুলতে চাইল।

আঙুলের ডগা কাদায় ভরা ফিতেয় ছোঁয়া মাত্র, এক ছায়ামূর্তি টলমল করে তার দৃষ্টির কিনারায় ঢুকে পড়ল।

সে ছুটছিল তীব্র উদ্গ্রীবতায়, পেছনে অনবরত জ্বলছে যুদ্ধের আগুন, মুখাবয়ব অর্ধেক আলো-ছায়ায় ঢাকা, পরিষ্কার দেখা যায় না।

অস্পষ্ট মুখাব

📚 আপনার জন্য আরও কিছু

সম্পর্কিত তালিকা