মূলত বিশেষ বাহিনীর নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়ার কথা ছিল চি জিংয়ের, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে পাঠানো হলো অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়ার বিরান মরুভূমিতে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দলের সুরক্ষার দায়িত্বে। দুর্ভাগ্যব
প্রথমবারের মতো ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লেখার অভিজ্ঞতা আমার জন্য ভীষণই স্নায়ুচাপপূর্ণ; ইতিহাসবর্ণনায় কোনো ত্রুটি যেন পাঠকদের বিভ্রান্ত না করে, সে আশঙ্কা নিয়ে আমি সদা সতর্ক। তাই মিং রাজবংশের সূচনাপর্বের ইতিহাস নিয়ে নিরন্তর গভীর অধ্যয়ন চালিয়ে যাচ্ছি। আমি চেয়েছি পাঠকদের সামনে এক ভিন্নতর মিং যুগ, এক নতুন রূপে চীনের সম্রাট চু তি-কে তুলে ধরতে। এজন্য উপন্যাসের সূচনা একটু ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে, কারণ আমি চাচ্ছি সমগ্র প্রেক্ষাপটটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করতে। তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, প্রতিটি অধ্যায় হবে চিত্তাকর্ষক, যা কোনোভাবেই আপনাদের হতাশ করবে না।
মূল চরিত্র ছি জিং নিয়ে আমিও দীর্ঘদিন দ্বিধায় ছিলাম। আমি তাকে কোনো ত্রাণকর্তা কিংবা রূপক নায়ক হিসেবে গড়ে তুলতে চাইনি; বরং আমার ইচ্ছা, তাঁর চরিত্রের মধ্যে যেন প্রত্যেকে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। আপনাদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
— আপনাদের স্নেহে,
ছয় ফোঁটা রক্ত